১। সাশ্রয়ী বিনিয়োগ
জমির শেয়ার কিনে যৌথভাবে বাড়ি নির্মাণ করলে প্রচলিত পদ্ধতির তুলনায় প্রায় ৪০% পর্যন্ত কম খরচে নিজের পছন্দের বাড়ি তৈরি করা সম্ভব।
২। আর্থিক নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা
টাকার বিনিময়ে শুরুতেই জমির মালিকানা নিশ্চিত হয়। নির্মাণের জন্য পরিশোধিত কিস্তির অর্থ নির্ধারিত ফান্ডে সংরক্ষিত থাকে, ফলে আর্থিক ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়।
৩। নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প সম্পন্ন
প্রতি মাস শেষে প্রকল্পের আর্থিক বিবরণী এবং পরবর্তী মাসের কাজের পরিকল্পনা (Working Schedule) প্রদান করা হয়। ফলে অর্থ ও নির্মাণ কার্যক্রম পরিচালনা হয় সুসংগঠিতভাবে।
৪। নির্মাণের মানে নিজের নিয়ন্ত্রণ
নির্মাণকাজের গুণগতমান নিয়মিত যাচাই করার সুযোগ থাকে। পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী পছন্দের নির্মাণসামগ্রী নির্বাচন ও ব্যবহার করা যায়।
৫। পরিচিত মানুষ নিয়ে সুন্দর কমিউনিটি
ভবনের ভবিষ্যৎ বাসিন্দাদের সঙ্গে আগে থেকেই পরিচিত হওয়ার সুযোগ থাকে। ফলে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে একটি সুন্দর কমিউনিটি গড়ে ওঠে। নিজেদের তত্ত্বাবধানে নির্মাণ হওয়ায় অপ্রয়োজনীয় ব্যয় ও অপচয়ও কমানো সম্ভব।
৬। অতিরিক্ত খরচ থেকে সাশ্রয়
ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রেশনের অতিরিক্ত খরচ নেই। পাশাপাশি কার পার্কিং ও ইউটিলিটি চার্জের মতো বাড়তি খরচও এড়ানো যায়।
৭। নিজের পছন্দমতো ইন্টেরিয়র
ফ্ল্যাটের ইন্টেরিয়র ডিজাইন ও লে-আউট নিজের প্রয়োজন, রুচি ও পছন্দ অনুযায়ী সাজানোর স্বাধীনতা থাকে।